shawonetc
Add profile credential
Profile Posts
ফ্রি হলো সবচেয়ে পুরোনো কৌশল
যখন কোন কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায়, বুঝে নিও তার জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হবে। নোবেল বিজয়ী ডেসমন্ট টু টু একবার বলেছিলেন, 'যখন মিশনারীরা আফ্রিকায় এসেছিল, তখন তাদের বাইবেল ছিল এবং আমাদের জমি ছিল' । তারা বলল, 'আমরা আপনার জন্য দোয়া করতে এসেছি'। আমরা চোখ বন্ধ করেছি, যখন খুললাম তখন আমাদের হাতে বাইবেল ছিল, আর তাদের হাতে আমাদের জমি ছিল । একইভাবে যখন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট এলো। তখন তাদের ফেসবুক - হোয়াটসঅ্যাপ ছিল, আর আমাদের ছিল স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা। তারা বলেছিল 'এটা বিনামূল্যে'। আমরা চোখ বন্ধ করেছিলাম এবং যখন খুললাম তখন আমাদের ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ আছে এবং তাদের কাছে আমাদের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত তথ্য আছে। যখনই কোন কিছু ফ্রী পাওয়া যায় তখনই তার মূল্য আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে দিতে হয়। "জ্ঞান থেকে শব্দ বোঝা যায়, অভিজ্ঞতা থেকে অর্থ বোঝা যায়"
ভণ্ডামীর সমাজব্যবস্থা ও নীরবতার রাজনীতি
আমাদের দেশে ধর্ষণ বন্ধ হয় না—কারণ আমরা ভণ্ডামিকে স্বাভাবিক করে ফেলেছি। সমাজে বখাটেদের পেলেপুসে রাখে সমাজের নেতা,প্রভাবসালীরা। এরা দরিদ্রের মেয়ে ধষন করে এবং সমাজের নেতারা বখাটেদের একটু বকে দেয়, জরিমানা করে, সালিস করে দেয়। নারীদের বলে চুপ করে চেপে যেতে কারন তোমাদের সম্মান যাবে। ইয়াবা, যৌন উত্তেজক ঔষুধ বিক্রিতে করে সমাজের অনেকেই জড়িত। পুলিশ ঘুষ ছাড়া কাজে আগ্রহী না। প্রভাবশালীদের ঘরের ছেলেদের গ্রেপ্তারে আগ্রহী না আর্থিক দূর্বলতার কারণে নারীরা প্রতিবাদ করতে পারছে না তাই নারীর ক্ষমতায়ণ দরকার...
সৃষ্টিকর্তা কাউকে ঠকান না
এই লাইনটা আমাকে ভাবিয়েছে কারণ তিনি কাউকে গায়ের রং দেননি কিন্তু মায়াকাড়া চেহারা দিয়েছেন। কাউকে মেঘের মতো ঘনকালো চুল দেননি কিন্তু হরিণের মতো টানা টানা মায়াবী চোখ দিয়েছেন। কাউকে মেধা দিয়েছেন আবার কাউকে দিয়েছেন অসাধারণ গুণ। কাউকে টাকা-পয়সা দেননি কিন্তু অগাধ ভালোবাসার ক্ষমতা দিয়েছেন। কাউকে কিছুই দেননি কিন্তু সুন্দর মন-মানসিকতা দিয়েছেন। কাউকে দিয়েছেন অগাধ ধৈর্য্য আবার কাউকে দিয়েছেন অগাধ দুঃখ নিয়ে সব পরিস্থিতি হাসিমুখে মানিয়ে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা। কাউকে দিয়েছেন সব থেকেও মানসিক অশান্তি আবার কাউকে দিয়েছেন কিছু না দিয়েও মানসিক শান্তি। সৃষ্টিকর্তা কাউকেই ঠকান না, কাউকেই নিরাশ করেন না। একদিক না একদিকে ঠিক ষোলোকলা পূর্ণ করে দেন।
বাঙালি সহজ একটি জিনিসকে অকারণে জটিল করে ফেলে
বাঙালি সহজ একটি জিনিসকে অকারণে জটিল করে ফেলে। বেড়াল মারা মানে, বেড়াল (cat) ধরে এনে হত্যা করতে হবে না। বেড়াল মারা মানে, নিজের সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা। এ বিষয়ে একটা গল্প প্রচলিত আছে। দুই বন্ধু খুব গরীব। পথে পথে ঘুরে বেড়ায়। ঠিকভাবে খেতেও পায় না। কি করবে, বুঝতে পারছে না। এমন সময়ে একটি ঘোষণা শুনতে পেলো। রাজার দুই মেয়ে নিজের জন্য এমন বর চাচ্ছে, যারা প্রতিরাতে ১০ বার চাবুকের আঘাত নিতে রাজী আছে। রাজার মেয়েদের এই অদ্ভূত দাবী শুনে, কেউই তাতে রাজী হয়নি। তবে, এই দুই গরীব বন্ধু রাজী হলো। বিয়ের পরে, দুই এক সপ্তাহ বেশ ব্যস্ত কাটলো। এর পরে দুই বন্ধু সুখ-দুঃখের আলাপ করেছে। প্রতিরাতে কখন চাবুক মারে, জোরে মারে কিনা, এসব ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলো। এই প্রশ্ন শুনে অপর বন্ধু বলল - আমারে তো চাবুক মারে না। অবাক হয়ে, বন্ধু কারণ জানতে চাইলো। তখন সেই বন্ধু বলেছে - প্রথম রাতে খাবার টেবিলের পাশে একটি বেড়াল ঘোরাফেরা করতে দেখেছি। হঠাৎ বেড়ালটি আমার প্লেটের পাশে চলে এলো। আমি তলোয়ার বের করে, এক কোপে বেড়ালটি মেরে ফেললাম। এটা দেখে হয়তো ভয় পেয়েছে। আমারে চাবুক মারে না। এই ঘটনা শুনে আরেক বন্ধু মনে মনে ভাবছে, প্রতিদিন বেড়াল আসে, আজকে বেড়ালকে মারতে হবে। রাতে খাবার টেবিলে, বন্ধুর পরামর্শ মতন, সেও আরেকটি বেড়াল মেরে ফেললো। এটা দেখে তার বউ রেগে অস্থির - তুমি আমার বেড়াল মারলে কেন? আজকে থেকে তোমাকে ১৫ বার চাবুক মারা হবে। চাবুক মারা বেড়ে যাওয়াতে, সে বন্ধুর কাছে গিয়ে বলেছে - তোমার পরামর্শ মতন বেড়াল মেরে, চাবুক তো বেড়ে গেল !! তখন বন্ধু উত্তর দিলো - প্রথম রাতেই বেড়াল মারতে হয় (পরে মারলে কাজ হয় না)। এটা একটি রূপকথা হলেও, এর শিক্ষা বাস্তব জীবনে খুব কার্যকর। বেশিরভাগ পুরুষ একটি ভুল করে - তারা মনে করে, নতুন বউ, ধীরে ধীরে শিখে যাবে। আসলে, বউ কোনদিনই শিখবে না। বউকে প্রথমেই শেখাতে হবে, পরে শেখে না। কি শেখাবেন? বউ নতুন থাকতেই আপনার পছন্দ-অপছন্দ তাকে শিখিয়ে দিন। পরে কোনদিনই শেখানো যায় না। প্রথমেই শেখান। এটাই আসলে বেড়াল মারা - নিজের সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত করা।
রোম নগরী পুড়ে ছাই হচ্ছে, সম্রাট নিরো দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে বাঁশি বাজাচ্ছে
রোম শুধু একটি শহর নয় এটা ছিল মানুষের জীবন, স্মৃতি, ভবিষ্যৎ। Rome পুড়েছিল আগুনে, আর নেতৃত্ব পুড়েছিল বিবেকহীনতায়। ইতিহাস আমাদের বলে আগুন সবসময় বাইরে লাগে না। কখনও কখনও নেতৃত্বের ভেতরের শূন্যতাই পুরো নগরী পুড়িয়ে দেয়। আজও তাই,
নিষেধের ফল: নৈতিকতা নয়, ভণ্ডামি
বিশ্বে মদ্যপানে সৌদি আরবের লোকেরা এক নম্বরে। কারণ, তাদের নিজের দেশ সৌদি আরবে মদ্যপান নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পর্ণগ্রাফী দেখায় পাকিস্তানীরা এক নম্বরে। কারণ, পাকিস্তানে পর্ণগ্রাফি দেখা নিষিদ্ধ। অন্যদিকে জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডস গাঁজা সেবনে বিশ্বের প্রথম ২০ টা দেশের তালিকায় নাই। কারণ, এই দুই দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গাঁজা সেবন আইনগত বৈধ। বাংলাদেশে ইন্টারনেটে যে কোনো গুজব, মিথ্যাচার, এবং ফালতু কনটেন্ট বানিয়ে কোটি কোটি মানুষকে ব্যস্ত রেখে, লক্ষ লক্ষ ভিউ এবং হাজার হাজার ডলার কামানো সম্ভব। কারণ, বাংলাদেশে কমনসেন্সের ব্যবহার নিষিদ্ধ। বাঙালি সমাজ ও শিক্ষা ব্যবস্থায় জনগণকে শেখানোই হয়না, কোন্ জিনিসটাকে ইগনোর করতে হয়, আর কোনটাকে গুরুত্ব দিতে হয়। ফালতু আর নোংরা জিনিসকে ঘেঁটে দেখার সীমাহীন আগ্রহ বাঙালির জন্মগত চরিত্র। বাঙালি কোনো কিছু না-ঘেঁটে বুঝতেই পারে না, জিনিসটা আসলে 'গু' ছিলো।
বাঙালি: নীতির কথা বলে, সুবিধার পথে হাঁটে
বাঙালির বিনোদন প্রায়ই কাউকে অপমান করার মধ্যেই শেষ হয়। সে সুশাসনের কথা বলে, কিন্তু ভোট দেয় সুবিধা দেখে। ধর্মনিরপেক্ষতার দাবি তোলে, আবার ভিন্ন ধর্ম দেখলেই তেড়ে ওঠে। বাঙালি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ চায়, কিন্তু বিদেশি লোগো ছাড়া বিশ্বাস করে না। বাংলা ভাষাকে ভালোবাসার কথা বলে, আর লিখে— “Ki koiro mama?” সে ভালো মানুষ হতে চায়, কিন্তু ‘ভালো’ মানে তার কাছে রঙ, বংশ আর টাকা। কবিকে ভালোবাসে—শুধু কবি মারা গেলে। জীবিত কবি হলে সে নাস্তিক, পাগল, বা অপ্রয়োজনীয়। ধর্ম মানে, কিন্তু সুবিধামতো। এক হাতে তসবিহ, অন্য হাতে সব নিষেধের তালিকা ভাঙার লাইসেন্স। নেতাকে গালি দেয় সারাবছর, আর ভোটের সময় মাথা নিচু করে সালাম দেয়। এই বাঙালি— যে শহীদ মিনারে ফুল দেয়, আর পরদিন বই ছিঁড়ে মুড়ে বাজারে যায়। এমন জাতি শুধু টিকে থাকে, কিন্তু সত্যিকারের বাঁচার সাহস কখনও শেখে না।
desh
Hasina jailed for 10 years, Tulip for 4 in two cases over Purbachal plot scam
hello
bangladesh